Header Ads

বিদ্যুৎ বিল কমানোর উপায়।

দাহদাহের প্রচণ্ড তাপে বিদ্যুতের
ব্যবহারও
স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে কয়েক গুণ বেড়ে
যায়। বিদ্যুতের বিলও হয়ে যায় আকাশচুম্বী।
কিছুটা সচেতন হলে বিদ্যুতের ব্যবহার কমে
আসবে। পাশাপাশি সাশ্রয় হবে বিদ্যুতের বিলও।






 ১.গরমের যা দাপট , তাতে এসি না
চালিয়ে
উপায় নেই৷ তবে জানেন নিশ্চয় এসি যত ঘর
ঠাণ্ডা করবে , ততই বেশি বিদ্যুত্ খরচ হবে৷
তাই ১৮ ডিগ্রীতে এসি না চালিয়ে ২৪
ডিগ্রীতে চালান৷ ঘর আরামদায়ক থাকবে৷ আবার বিদ্যুতের সাশ্রয়ও হবে৷ ২.অনেক সময়
টিভি দেখা হয়ে গেলে আমরা
রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে বন্ধ করে
দিই৷
কিন্ত্ত সুইচ অফ করার কথা খেয়াল থাকে
না৷ অর্থাত্ টিভি দীর্ঘক্ষণ স্ট্যান্ড বাই মোডে থাকে৷ ফলে অনেকটাই বিদ্যুতের
অপচয় হয়৷ তাই এরপর থেকে শুধু রিমোট
কন্ট্রোলে টিভি বন্ধ না করে, খেয়াল করে
সুইচ অফ করবেন৷ ৩.সাধারণ বাল্বের বদলে
কমপ্যাক্ট


ফ্লুরোসেন্ট বা সিএফএল লাগান৷ তাতে বিদ্যুতের খরচ অনেকটাই সাশ্রয় হবে৷
দেখতেও সুন্দর৷ আলোও যথেষ্ট৷
প্রথামিকভাবে দাম একটু বেশি পড়লেও
চলবে সাধারণ বাল্বের থেকে অনেক বেশি৷
৪.সব সময় শুকনো জামাকাপড় ইস্ত্রি করুন৷
ওয়াশিং মেশিনের ড্রায়ার থেকে আধ শুকনো জামা কাপড় বের করে ইস্ত্রি করলে
অতিরিক্ত বিদ্যুত্ খরচ হয়৷ এমন ইস্ত্রি
ব্যবহার করুন , যাতে কম টেম্পারেচারের
অপশন আছে৷ ৫.রেফ্রিজারেটর যেন
দেওয়ালের গায়ে
না থাকে , তার ব্যবস্থা করুন৷ দেওয়াল আর রেফ্রিজারেটরের মধ্যে একটু স্পেস
থাকলে ভালো হয়৷ তাতে হাওয়া চলাচল
করতে পারে৷ ফ্রিজে ঠেসে জিনিসপত্র
রাখবেন না৷ যে খাবারগুলো অনেকদিনের ,
বা আর প্রয়োজন নেই , ফেলে দিন৷ অনেক
সময় জ্যাম বা সসের বোতল খালি হয়ে যাওয়ার পরেও , সেগুলো ফ্রিজ থেকে বের
করার কথা মনে থাকে না৷ তাই মাঝে
মাঝেই চেক করুন৷ গরম কোনও খাবার ঠাণ্ডা
না করে সোজা ফ্রিজে ঢোকাবেন না৷
কোনও খাবারই আঢাকা অবস্থায় ফ্রিজে
রাখবেন না৷ তাতে ফ্রিজের কম্প্রেসরের উপর চাপ পড়ে৷ ৬.ওয়াশিং মেশিনের
ইলেকট্রিক ড্রায়ার
না ব্যবহার করে স্বাভাবিক ভাবে
জামাকাপড় শুকনো করুন৷ কতটা পরিমাণে
ডিটারজেন্ট দিতে হবে , তাও ওয়াশিং
মেশিনের গায়েই লেখা থাকে৷ সেই পরিমাণেই ডিটারজেন্ট দিন৷ বেশি বা কম
নয়৷ জামাকাপড় খুব ময়লা না হলে ঠাণ্ডা
পানিতে কাচুন৷ ৭.তেমন দরকার না থাকলে
গিজার ব্যবহার
করবেন না৷ গরমকালে ঠাণ্ডা পানিতে
গোসল করাই ভাল ৷ একান্তই গরম পানির প্রয়োজন হলে সোলার ওয়াটার হিটার
ব্যবহার করতে পারেন৷ ৮. মাইক্রওয়েভে
রান্না বা খাবার গরম
করার সময় , রান্না ঠিক মতো হচ্ছে কিনা
বার বার দেখার দরকার নেই৷ আপনি
প্রতিবার মাইক্রোওয়েভের ঢাকনা খোলার সঙ্গে সঙ্গে মাইক্রোওয়েভের
টেম্পারেচার ২৫ ডিগ্রি কমে যায়৷

No comments

Powered by Blogger.